ZABIR TECH
গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, সিপিএ মার্কেটিং, এইচটিএমএল, সিিএস এস, এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল, অনলাইনে অর্থোপার্জন প্রক্রিয়া, কম্পিউটার সমস্যা সমাাধান, স্বাস্থসেবা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির খবর, দেশ-বিদেশের খবর, জানা-অজানা রহস্যময় ঘটনা, বিথ্যাত ব্যক্তিদের সাফল্যর কাহিনী এবং নিত্য নতুন ক্রিয়েটিভ কিছু চিন্তাধারা ব্যক্ত করার অঙ্গিকার প্রকাশ করছি আমার ব্লগে।
Sunday, 22 March 2020
Sunday, 22 December 2019
গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল লিংক ??
যারা একেবারেই নতুন ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর এর কাজ শিখতে খুবই আগ্রহী কিন্তু সঠিক সফটওয়্যার
নির্বাচন করতে পারছেন না ও সফটওয়্যার কে কিভাবে ফুল ভার্সন করতে হ্য়, কিভাবে ফাইল ক্রাক করতে হয়। নিম্নে ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর সফটওয়্যার ডাউনলোড ও কিভাবে ফাইল ইনস্টল করবেন উক্ত নিয়মাবলি
উল্লেখ করা হলো।লিংক…..https://rhktech24.blogspot.com/…/graphic-design-software-in…
গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ? কেন করবেন ??
ব্যতিক্রম কিছু করতে মন চায়?
সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান?তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পরেন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি।
গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?
আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে গ্রাফিক্স ডিজাইন আসলে কি! আচ্ছা তার আগে আমাকে বলুন এমন কিছু কি আছে যাতে গ্রাফিক্স ডিজাইন নেই? সব কিছুতে ডিজাইন আছে, পৃথিবী-পৃথিবীর বাইরে সব কিছুতেই একটা ডিজাইন আছে। তা প্রাকৃতিকভাবে হোক বা কৃতিমভাবে। আপনি হয়ত তা দেখার চেষ্টা করছেন না বা খেয়াল করছেন না। একটু খুজে দেখুন কোন জিনিসটায় ডিজাইন নেই!
এবার আসুন সংজ্ঞায় দেয়ার চেষ্টা করি…নিজের মত করে সংজ্ঞা দিচ্ছি, আসলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের সংজ্ঞা এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়..তারপরও চেষ্টা করছি..
এটা যদি এক কথায় বলতে চাই তাহলে বলব আমরা যত প্রকার ডিজাইন দেখি সবই গ্রাফিক ডিজাইন। এবার আসুন একটু সজ্ঞা দিয়ে বলার চেষ্টা করি…
‘‘গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে একটি ক্রিয়েটিভ পদ্ধতি যা Art & Technology এর সমন্বয়ে হয়ে থাকে।” এবার আসুন একটু বিস্তারিত বলি…......
“প্রথমেই Art কি সেটা নিয়ে বলি। আমরা সবাই ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন কিছু Art করে এসেছি। যেমন পেনসিল দিয়ে আমরা মানুষের ছবি একেছি, পশু-পাখির ছবি একেছি, গ্রামের দৃষ্য একেছি, অর্থাৎ আমরা যা কল্পনা করতাম সেটাই পেনসিল দিয়ে একে ফেলতাম, আবার অনেক সময় পেনসিল দিয়ে বিভিন্ন দৃশ্য একে রং পেনসিল দিয়ে কালার করতাম। আমাদের এই আকা-আকির অভ্যাসটা দুরকম ছিল যেমন- কোনো কিছু কল্পনা করেও আকতাম আবার চোখের সামনে কোনো কিছু রেখে সেটাকেও আকতে পারতাম, অনেকেই আছে দেখবেন আপনাকে সামনে বসিয়ে হুবহু আপনাকেই একে ফেলবে। এসব কিছুই হচ্ছে Art.
এবার জানবো
Technology সম্পর্কে। এটা সম্পর্কে সবারই ধারনা আছে, আমরা এখন Technology এর যুগে বাস করছি। টেকনোলজি এমন জ্ঞান যা দ্বারা আমরা নতুন কিছু আবিস্কারের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন কাজের সকল জটিলতাকে কমিয়ে আমাদের কাজকে সহজ করে তুলতে পারি। এই টেকনোলজি ব্যাবহার করেই আমরা গ্রাফিক ডিজাইন করে থাকি। আমরা আমাদের মনের কাল্পনিক Art কে টেকনোলজির সাহায্যে অত্যান্ত সুন্দর করে উপস্থাপন করতে পারি। অর্থাৎ আমরা Art &
Technology এর সমন্বয়ে যে ডিজাইন করে থাকি সেটাই গ্রাফিক ডিজাইন।”
বিখ্যাত ডিজাইনার Neville Brody এর মতে ‘‘ডিজাইন প্রয়োজনসমূহ, তথ্য এবং কালারের এমন একটি সংশ্লেষন যা এর অংশসমূহের সমষ্টির থেকেও বেশি কিছু তৈরি করে” (তার এই সংজ্ঞার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কারও পাইছেন…আমি বাংলায় হয়তো ঠিক ভাবটা প্রকাশ করতে পারিনি তবে তিনি এই সংজ্ঞায় অনেক কিছু বোঝাতে চেষ্টা করেছেন)
উপরের সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষন করলে যা পাই তা হল… গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে আপনার মনের ভাব, কিছু প্রয়োজন, তথ্য ও কালারের সমন্বয়ে আর্ট ও টেকনোলজীর সাহায্যে উপস্থাপন করতে পারবেন।
উপরের সংজ্ঞাগুলোয় আসলে টেকনিক্যাল দিকগুলো ফুটে ওঠে যা হয়তো কারো কারো কাছে বুঝতে কঠিন হতে পারে…
আরওএকটু সহজ করে দিই.. Nothing
is better than example…
আপনি হয়তো লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ইন্টেরিওর-এক্সটেরিওর ডিজাইনের কথা শুনে থাকবেন
একটা লোগোতে একটা কোম্পানীর বিষয়বস্তু/নাম/বর্ননা/কাজ ইত্যাদি ডিজাইনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় । একটা বিজনেস কার্ডে ডিজাইনের মাধ্যমে একজন বিজনেসম্যান এর বিভিন্ন তথ্যগুলো দেওয়া হয় একটা ইন্টেরিওর বা এক্সটেরিওর ডিজাইনে একটা বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন করা হয়। এরকম উদাহরন আরও দেয়া যায়..আস্তে আস্তে পাবেন এগুলো সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন।
গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?
আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে একজন ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন
গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেনএকজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৪৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।
গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন?
গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সংজ্ঞাই যেহেতু মৌলিকভাবে দেয়া যাচ্ছে না অর্থাৎ নির্দিষ্ট করে দেয়া যাচ্ছে না, তাই আপনার এ প্রশ্নের উত্তরও নির্দিষ্ট করে দিতে আমাকে হিমশিম খেতে হয়!
উপরের কথাগুলো বিশ্লেষন করলেই আপনি হয়ত আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আবারও বলছি আপনার আশেপাশের বস্তুগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন দেখুন তাতে একটি ডিজাইন আছে এবং তা একটি অর্থও প্রকাশ করছে এবং তার একটি প্রয়োজনও আছে।মূলত এ বিষয়গুলোর জন্যই গ্রাফিক্স ডিজাইন।
আমি উপরেই বলেছি আমরা ছোট থাকতেই বিভিন্ন ডিজাইন করতাম, তেমনই সৃষ্টির শুর থেকেই ডিজাইন ছিল, এখনো আছে এবং থাকবে। আমি এটা নিয়ে স্টাডি করে যেটা পেয়েছি, সেটা হচ্ছে মানুষের হাতে ডিজাইন করা শুরু হয় আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৪-৫ হাজার বছর আগে থেকে। তবে নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন গুহায় যে প্রমান পাওয়া যায় তাতে বলতে হয় এর শুরু অনেক আগে থেকেই। আর এটা শুরু হইছে মানুষের প্রয়োজনেই। খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ বছর আগের একটি নিদর্শন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে যেটিই মানুষের হাতে সবচেয়ে আগের জটিল ডিজাইন বলে ধারনা করা হয়।
সেখান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অনেক বছর চলে গেছে। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন আর সেদিনের কথা একবার চিন্তা করুন অনেক কিছু ডিজাইন করা হয়েছে, অনেক নতুনত্বের সৃষ্টি হয়েছে, সুন্দর থেকে সুন্দরতর! সব কিছুই মানুষের প্রয়োজনে। আগে করা হত মাটিতে, পাতায়, খাতায় আর এখন করা হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে আরও সুন্দর করে।
এত বকবক করার মূল কারন হল.. গ্রাফিক্স ডিজাইন মূলত মানুষের প্রয়োজনেই তা মনের খোরাক মেটানোর জন্য হোক বা পেশা হোক বা ব্যবসায়িক কারন হোক মূলত মানুষের প্রয়োজনেই গ্রাফিক ডিজাইন।
►একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-▼
→ ইন্টারক্টিভ মিডিয়া: কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।
→ প্রমোশনাল ডিসপ্লে: সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিন্ন অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনাল ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।
→ জার্নাল: বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো,
Imitation থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।
→ কর্পোরেট রিপোর্টস: এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।
→ মার্কেটিং ব্রোশিউর: এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।
→ সংবাদপত্র: গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।
→ ম্যাগাজিন: এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।
→ লোগো ডিজাইন:একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।
→ ওয়েবসাইট ডিজাইন: সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।
Subscribe to:
Posts (Atom)

